এই কনসেপ্ট ক্যাফে পুরনো কলকাতার বাবু সংস্কৃতিকে খুঁজে দেখে — জমিদারবাড়ির বৈঠকখানা, গ্রামোফোনের সন্ধ্যা, চায়ের সঙ্গে আড্ডা আর অবসরের সংস্কৃতিবান মেজাজ — এবং তাকে এক আধুনিক ক্যাফেটেরিয়ায় রূপ দেয়।
উষ্ণ সরষে-হলুদ দেওয়াল, সাদা-কালো দাবার ছকের মেঝে আর গাঢ় কাঠের কড়ি-বরগার সিলিং মূল রং ঠিক করে দেয়। দেওয়াল বরাবর টেক্সচার্ড টেরাকোটা প্লাস্টারের আর্চ আকারের কুলুঙ্গি, প্রতিটিতে স্পটলাইট জ্বেলে সেই যুগের এক টুকরো — গ্রামোফোন ও রেকর্ড, হুঁকো, ছড়ি, দাবার বোর্ড, বই আর পুরনো লেটার বক্স।
প্রবেশের করিডোর খোলে পুরনো সোনালি ফ্রেমের গ্যালারি ওয়াল, ঘোরানো ডায়ালের টেলিফোন ও খোদাই করা কাঠের আয়না দিয়ে, আর রঙিন কাচের ঘুলঘুলি মনে করায় পুরনো কলকাতার বাড়ির রঙিন জানালা। ভেতরে পুরনো কলকাতার ছবির কোলাজ আর পুরো দেওয়াল জুড়ে বাংলার লোকশিল্পের মুরাল ডাইনিং হলকে করে তোলে এমন এক জায়গা, যেখানে অতিথিরা শহরের স্মৃতির মাঝে বসে খান আর গল্প করেন।










